(00 Reviews)
৳330.00 ৳188.00 (44% ছাড়ে)
সালাফ—যেই শব্দটা শুনলেই আমাদের হৃদয় শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে।
সালাফ কারা? ইসলামকে আমরা যাদের মাধ্যমে পেয়েছি, প্রিয় নবিজি সা. এর সুন্নাহ ও সাহাবাদের আমল যাদের প্রচেষ্টায় সংরক্ষিত হয়ে এসেছে আমাদের হাতে, রক্তে ও ঘামে, শরীরে ও মননে যারা ইসলামের সার্বজনীন চিত্রের প্রত্যুজ্জ্বল অবয়ব অঙ্কন করে গেছেন আমাদের জন্য—শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা পাওয়া সেই যুগের শ্রেষ্ঠ মানুষেরাই আমাদের সালাফ; আমরা তাদের উত্তরসূরী।
সালাফদের জীবনে রয়েছে আমাদের জন্য শিক্ষা ও উপদেশের বিপুল উপকরণ; আছে আমাদের নানান প্রশ্ন, জিজ্ঞাসা ও কৌতূহলের জবাব। সালাফদের মধ্যে যারা বিদ্যা ও বুদ্ধি, ইলম ও আমল, তাকওয়া ও খোদাভীতি, জেহাদ ও সংগ্রামে এবং অন্যান্য নানান ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ, তাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে সজ্জিত হয়েছে এই বই—সালাফের ইবাদাত।
চতুর্মাত্রিক ফিতনার দমবন্ধ এই পরিস্থিতিতে বইটি একজন মুসলিমের জন্য অক্সিজেনের কাজ করবে।
জীবন ও জগতের নানাবিধ সমস্যা ও জটিলতার উত্তর মিলবে এখানে। ফিতনার সময়ে ইমান রক্ষার আমল বা কৌশলী হাতিয়ারের সন্ধান পাওয়া যাবে এই বইয়ে।
এটি সেলফে সাজিয়ে রাখা বা একবার পড়ে রেখে দেওয়ার মতো বই নয়। শিয়রের কাছে সব সময় রেখে বারবার পড়বার মতোন এবং ঘরের সবাইকে নিয়ে তালিম করার মতোন একটি বই। কিশোর থেকে বৃদ্ধ, নারী কিংবা পুরুষ, সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের কথা চিন্তা করেই সাজানো হয়েছে বইটি। ফলে প্রিয়জনকে হাদিয়া দেওয়ার জন্য, কিংবা কারো কল্যান চিন্তায় তাকে পড়তে দেওয়ার জন্য এটি হতে পারে একটি সেরা পছন্দ।
| Title | সালাফদের ইবাদাত |
| Author | আল্লামা ইব্নে কাছীর (রহ.), শায়খ ইয়াসির কাযমানি |
| Publisher | চেতনা প্রকাশন |
| Edition | 1st Published, 2022 |
| Number of Pages | 208 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
আল্লামা ইবনে কাছীর রহ. এর জন্ম ১৩০১ খ্রিস্টাব্দে বসরার (বর্তমান সিরিয়া) মামলুক সালতানাতে। তার পুরো নাম ইসমাঈল ইবন উমর ইবন কাসীর ইবন দূ ইবন কাসীর ইবন দিরা আল-কুরায়শী হলেও তিনি ইবনে কাছীর নামেই সমধিক পরিচিত। তিনি কুরায়েশ বংশের বনী হাসালা গোত্রের সন্তান। তার জন্মস্থান এবং জন্ম তারিখ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তার শিক্ষাজীবন এবং শৈশব নিয়েও খুব বেশি তথ্য জানা যায় না। তবে মামলুক সালতানাতেই তিনি বড় হয়েছেন, এ ব্যাপারে ইতিহাসবিদগণ নিশ্চিত। কৈশোরে তিনি ফিরিঙ্গীদের যুদ্ধ, ক্রুসেড, তাতারদের আক্রমণ, শাসকদের অন্তর্কোন্দল, বিদ্রোহ করে ক্ষুদ্র রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রয়াস, দুর্ভিক্ষে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির মতো যাবতীয় দুর্যোগ আর দুর্দশা দেখে দেখে বড় হয়েছেন। কর্মজীবনে ইবনে কাছীর রহ. উন্মুসসা’ ওয়াত তানাকুরিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছেন। কুরআন, হাদিস, তাফসির, ইতিহাস, গণিত সহ জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তিনি বিচরণ করেন। শায়খ তকী উদ্দী (রহঃ), উস্তাদ হাজরী (রহঃ), ইবনুল কালানসী (রহঃ) প্রমুখ প্রবাদত্যুল্য শিক্ষকের সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। পরবর্তীতে নিজের জ্ঞানের আলোয় তিনি আলোকিত করেছিলেন মধ্যযুগীয় মুসলিম জ্ঞানপিপাসুদের। ১৩৭৩ খ্রিস্টাব্দে দামেস্কে তার মৃত্যু হয়। আল্লামা ইব্নে কাছীর রহ. এর বই সমূহ ইসলামি দর্শন, ফিকহ শাস্ত্র, তাফসির ও ইতিহাস নির্ভর। তার রচিত ‘তাফসিরে ইবনে কাছীর’-এর জন্য তিনি বিশ্বজোড়া সমাদৃত। পবিত্র কুরআনের কাছীরগুলোর মাঝে তার এই গ্রন্থটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য এবং প্রামাণ্য। ১১ খণ্ডে প্রকাশিত ‘তাফসিরে ইবনে কাছীর’, ‘কাসাসুল আম্বিয়া’, ‘আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া’, ‘কিতাবুল আহকাম’ সহ বেশ কিছু জ্ঞানগর্ভ বই রয়েছে আল্লামা ইবনে কাছীর রহ. এর বই সমগ্রতে।