(00 Reviews)
৳200.00 ৳195.00 (3% ছাড়ে)
"ছালাত আদায় করতেই হবে। ওযু করে ছালাত আদায় করতে হয়, পানি পাওয়া যায় না; বিনা ওযুতেই ছালাত আদায় করতে হবে। পানিও নাই মাটিও নাই। বিনা ওযুতে বিনা তায়াম্মুমে ছালাত আদায় করতে হবে। পরিষ্কার কাপড় পরিধান করে ছালাত আদায় করতে হয়। পরিষ্কার কাপড় নাই। যে কাপড়ে পেশাব-পায়খানা লেগে আছে, এই পেশাবওয়ালা কাপড়েই ছালাত আদায় করতে হবে। পরিষ্কারও নাই অপরিষ্কারও নাই, কোনাে কাপড়ই নাই। ইরাকের কারাগারে ওই শয়তানেরা উলঙ্গ করে রেখেছে ওই মুসলমনা ভাইকে। সে ভাই এখন উলঙ্গ অবস্থাতেই ছালাত আদায় করবে। এটাই রাসূল (ছা.)-এর আদেশ। পশ্চিম দিকে মুখ করে ছালাত আদায় করতে হয়। পশ্চিম বুঝা যায় না। বিনা পশ্চিমে ছালাত আদায় করতে হবে। শত্রু তাড়া দিয়েছে, দৌড়ানাে অবস্থাতেই ছালাত আদায় করতে হবে। দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করতে হয়। দাঁড়িয়ে থাকা যায় না; বসে ছালাত আদায় করতে হবে। বসে থাকা যায় না; বিছানায় শুয়ে ছালাত আদায় করতে হবে। ছালাত আদায় করতে হবে না অন্তত এমন কোনাে পরিস্থিতি পুরুষের জন্য নাই"
আর ছালাতের মতাে এত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত যদি সঠিকভাবে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক আদায় না করা যায় তাহলে ছালাত আদায়ের প্রকৃত উপকারিতা থাকে সুদূরপরাহত।
সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন ভুলে ভরা ছালাতের বিপরীতে ফরয ও নফল সকল ছালাতের উপর সহজ ও সাধারণ মানুষের জন্য বােধগম্য ভাষায় প্রয়ােজনীয় সকল হুকুম-আহকামের দলীল ভিত্তিক আলােচনা নিয়ে উপস্থিত রাসুল (ছাঃ) –এর ছালাত বনাম প্রচলিত ছালাত।।
জন্মঃ শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর উপজেলার অধীন মাওলা বক্স হাজীরটলা গ্রামে এক ধার্মিক পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।পড়াশোনাঃ এলাকার মক্তবে শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হওয়ার পর তিনি নাচল নবাবগঞ্জ মাদরাসা থেকে হাদীসের অন্যতম কিতাব মিশকাত শরীফ পর্যন্ত পড়েন। তারপর উচ্চ শিক্ষার আশায় ভারত গমন করেন এবং উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম মউনাথভাঞ্জান থেকে দাওরা হাদীস শেষ করেন। তিনি দুই বার দাওরা হাদীস শেষ করেছেন। তারপর দেশে ফিরে কর্ম জীবনের পাশাপাশি ফাজিল ও কামিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। তিনি হাদীস ও তাফসীর নিয়ে ১ম বিভাগে কামিল পাশ করেন। শায়খের বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি মাজহাব ও মাসলাক নির্বিশেষে আম মুসলমানদের উদ্দেশ্যে নসীহত মূলক বক্তব্য দেন । বিশেষ করে জান্নাত, জাহান্নাম, কিয়মাত, আদর্শ পরিবার, কে বড় ক্ষতি গ্রস্ত ইত্যাদি বিষয়ে তারবক্তব্য মাসলাক মাজহাব নির্বিশেষে সকল মুসলমানের হৃদয়ে নাড়া দিতে সক্ষম। ইসলামী শিক্ষাকে বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য তিনি অনেক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন যেমন: আল জামিয়াতুস সালাফিয়া, রুপগঞ্জ নারায়নগঞ্জ, আল মাদ্রাসাতুস সালাফিয়া, আটমল, বগুড়া, বীরকুস্টিয়া দারুল হাদীস সালাফিয়া মাদরাসা বগুড়া। এবং অনেক প্রতিষ্ঠানকে সামনের দিকে এগিয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। যেমন আল মারকাজুল ইসলামী আস সালাফী, রাজশাহী এবং মহিলা সালাফিয়া মাদরাসা, রাজশাহী।