(00 Reviews)
৳60.00 ৳42.00 (30% ছাড়ে)
ধর্ম এবং নীতি শাস্ত্রের পার্থক্য আমাদের মানব সভ্যতায় একটি বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে। পৃথিবী সৃষ্টির শুরু থেকে যুগে যুগে কালে কালে মানব সমাজ ধর্ম এবং তাঁর স্বরূপ বোঝার চেষ্টা করে আসছে। শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়; মানব সমাজ সবসময় তাঁর সৃষ্টির এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর ক্রমবিন্যাসের কারন বুঝতে চেয়েছে এই ধর্মের মাধ্যমে। মানব সৃষ্টির নিগুড় তত্ত্ব বোঝার এবং তাঁর ব্যাখ্যা সংশ্লিষ্ট কারন বোঝার চেষ্টা করেছে এই ধর্মের মাধ্যমে।
বিখ্যাত ইতিহাসবেত্তা আর্নল্ড জে টয়েনবি মানব ইতিহাসের বিস্তার নিয়ে চর্চা করতে গিয়ে বিশদভাবে ধর্ম এবং স্রষ্টা নিয়ে গবেষণা করেছিলেন এবং তাঁর সমগ্র গবেষণা তিনি তাঁর দশটি গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করে গিয়েছেন। তবে আমার উদ্দেশ্য তাঁর গ্রন্থ নিয়ে আলোচনা করা নয়। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে ধর্মের উদ্ভাবক অর্থাৎ স্রষ্টার কিংবা আমাদের পালনকর্তার কথাগুলো বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে কিভাবে বলা হয়েছে কিংবা কি বলা হয়েছে তা সর্বাধিক সহজ ভাষায় তুলে ধরা (অবশ্যয় রেফারেন্স সহকারে)। তবে আমি আমার উদ্দেশ্য সফল করতে টয়েনবির পদ্ধতি অনুসরন করতে পারি। সে যেভাবে মানব ইতিহাসের ধর্মগুলোকে কেন্দ্রীভূত করে সংক্ষিপ্ত করেছিলেন আমিও ঠিক সেই পদ্ধতি অনুসরন করবো। ১৯৫৪ সালের ২৪ শে অক্টোবর তিনি ‘’দ্য অবজারভার’’ নামক একটি অনুচ্ছেদে লিখেছিলেনঃ
আমি একটি বিশ্বাসে ফিরে এসেছি; আর তা হলো ধর্ম সকল অস্তিত্তের রহস্য ধারন করে। আসুন শুরু করা যাক।